চূরখাই অনলাইন বাজার এবং হোম ডেলিভারি সার্ভিস
হরলিক্সের গুনাগুন প্রমান করতে পারেনি জিএসকে
বাংলাদেশে যে কয়টা "বোতলবন্দি" শক্তি ও পুষ্টিপণ্য পাওয়া যায় সেগুলো হরলিকস,বুষ্ট,মালটোভা,ভিভা আর কমপ্ল্যান। আপনার মনে হতে পারে এরা একটা আরেকটার বিকল্প/প্রতিদ্বন্ধি পণ্য। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো কমপ্ল্যান ছাড়া বাকি ৪টি একই কোম্পানির(গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন) প্রস্তুতকৃত পণ্য!!!!
বুঝতেই পারছেন "এই প্রতারণার ডোজ " নিয়ে একচেটিয়া মার্কেট(আসলে ধান্দাবাজি) দখল করে রেখেছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন। শুধু হরলিকসই বাজারের ৭৪% দখল করে রেখেছে!!! আর তাইতো মাঝে মধ্যেই ইচ্ছাকৃতভাবে সাপ্লাই বন্ধ করে দিয়ে কৃত্রিমভাবে চাহিদা বাড়িয়ে নেয় গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন। এক-দুই সপ্তাহ পর আবার সাপ্লাই দেয়া শুরু করলেও তা করা হয় দাম ২০/২৫ টাকা বাড়িয়ে।
সাম্প্রতিক হরলিক্সের গুনাগুন প্রকাশ করার দাবীতে ভারতে এক ব্যাক্তি হরলিক্সের বিরূদ্ধে মামলা করে। কিন্তু সেই মামলায় জিএসকে হরলিক্সের কোন গুনাগুন প্রমান করতে ব্যার্থ হয়।
তাহলে কিভাবে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের একচেটিয়া ধান্ধাবাজি বন্ধ করা যায়?
এতক্ষণে তো বুঝেই গেছেন হরলিকসের পিছনে এত টাকা খরচ করে শুধু প্রতারণারই শিকার হচ্ছেন। এবার না হয় একটু সচেতন উঠুন। সবাই মিলে হরলিকস কেনা বন্ধ করলে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে তো না-ই, দেখবেন ক্ষতি কমানোর জন্য তরতর করে দাম কমাচ্ছে।
অল্প কিছু ডাক্তারের উদ্দেশ্য হরলিকসের বিজ্ঞাপনে মাঝে মাঝে ডাক্তারের উপস্থিত দেখা যায়। কখনো বা ব্যাপারটা এমন ডাক্তার নিযে হরলিকস খাচ্ছেন আর হরদম পরামর্শ দিচ্ছেন অন্যদের হরলিকস খেতে!!!!
ঐ ডাক্তারদের উদ্দেশ্য বলতে চাই,আপনারা কি ডাক্তার হয়ে টের পান না হরলিকসের এ প্রতারণা? নাকি টাকার বিনিময়ে এ ধরনের প্রতারণাময় বিজ্ঞাপনে উপস্থিত হতে আপনাদের বিবেকে বাঁধে না?
এদেশে সবচেয়ে সম্মাজনক পেশাগুলোর মাঝে "চিকিৎসক" একটি। এদেশের অন্যান্য পেশার তুলনায় এ পেশাতে আয় তো কম নয়।তবু কি সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপনে প্রতারণামূলক কথা বলতে হবে? হরলিকস যে আপনাদের ব্যবহার করে এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে সেটা আপনারা কি টের পান না? ডাক্তারদের হরলিক্সের বিজ্ঞাপনদাতা হিসেবে ব্যাবহার করছে জিএসকে কোম্পানি।
পুষ্টিশিক্ষা এবং আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তক
"ভাত,আলু শর্করা জাতীয় খাদ্য; মাছ,মাংস,ডিম আমিষ জাতীয় খাদ্য..." এগুলো আমাদের দেশের স্কুলের পাঠ্যবইগুলোতে লেখা আছে। কিন্তু একটি বইয়েও লেখা নেই আমাদের ঠিক কতটুকু শক্তি দরকার,ঠিক কতটুকু প্রোটিন দরকার,কিংবা কোন খাবারে কি পরিমাণ পুষ্টিগুণ আছে।
আমাদের দেশের বইগুলোতে পুষ্টিশিক্ষা নিয়ে কি কয়েকটা পাতা যোগ করা যায় না যাতে করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এদেশের মা-বাবাদের অজ্ঞানতার ফাঁদে ফেলে প্রতারিত করতে না পারে?
দৈনিক পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেলে আজকাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে একটি বিজ্ঞাপন। এর প্রকাশভঙ্গীটি চমকপ্রদ ২ গ্লাস হরলিক্স = ৬৬৬ গ্রাম ইলিশ মাছের সমান আয়রন বেড়ে ওঠার ডোজ, রোজ রোজ হরলিক্স তো রেগুলার খাবার। কেন আপনি দিচ্ছেন না? কিংবা ননদ তার ভাবীর পেছন পেছন ছুটছে আর বলছে- “ভাবী, ও এমন কী খাচ্ছে…”(কারণ ভাতিজা বেশ হৃষ্টপুষ্ট এবং চটপটে আর ওই নারীর নিজের সন্তানটিকে দেখা যায় রোগা-পাতলা গোছের)।
প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত বিজ্ঞাপনগুলো দেখে মনে হতে পারে ভিটামিন এবং মিনারেল খুবই দুর্লভ বস্তু এবং আপনাকে ফুড সাপ্লিমেন্ট (সম্পূরক খাবার) হিসেবে ভিটামিন এবং মিনারেল বিশাল পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। এ সূত্রে ভিটামিন এবং মিনারেল সম্পর্কে কিছুটা জানা যাক।
★ভিটামিনঃ ভিটামিন হচ্ছে জৈবিক পদার্থ যা মানুষের জন্য খুব কম পরিমাণে প্রয়োজন হয়, শরীরের নির্দিষ্ট কিছু কোষের কাজ সম্পাদনের জন্য। মানুষের দেহ ভিটামিন তৈরি করতে পারে না। সুস্বাস্থের জন্য ভিটামিনগুলোকে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের সাথে নিতে হয়।
★মিনারেলঃ মিনারেল হচ্ছে অজৈব উপাদান যা মানুষের দেহ গঠনমূলক পদার্থ। এটি এনজাইম এর বিশ্লেষণে সহকারী হিসেবে কাজ করে। স্নায়ুর সঞ্চালনে সাহায্য করে। অম্ল এবং ক্ষারের মধ্যে সাম্য রক্ষা করে। মানুষের দেহ মিনারেল তৈরি করতে পারে না। প্রত্যেকটি মিনারেল প্রতিদিন খাবারের সাথে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে নিতে হয়। এবং তা বেশি পরিমাণে নিলে হিতে বিপরীতই হবে।
এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) এর নির্দেশনাটি দেখা যেতে পারে
“There are many good reasons to consider taking vitamin supplements, such as over-the-counter multivitamins.
আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান্স (এএএফপি) এর মতে, একজন চিকিৎসক নিম্নোক্ত কারণে ভিটামিন প্রেসক্রাইব করতে পারেন। এগুলো হচ্ছে—
● নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যায়
● নিরামিষ ভোজীদের ক্ষেত্রে
● মায়েদের ক্ষেত্রে অন্তঃসত্ত্বা বা সন্তানকে দুগ্ধদানকালে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট তখনি উপযোগী হয় যদি তা নির্দিষ্ট কোনো পুষ্টি ঘাটতিকে পূরণ করে যা ওই ব্যক্তির নিয়মিত খাদ্য কোনোভাবেই পূরণ করতে পারছে না।
ভিটামিনগুলো সাপ্লিমেন্ট আকারে উপরে উল্লেখিত কন্ডিশনে উপকারি হতে পারে কিন্তু এর উপকারিতা প্রমাণিত নয়। আর স্বাভাবিক অবস্থায় তো নেয়ার প্রশ্নই আসে না।
★ভয়ংকর তথ্যঃ এফডিএ’র ডিভিশন অব ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট এর পরিচালক ব্যাসিলিওস ফ্রাঙ্কোস পিএইচডি বলেন, অন্যসব ডায়েটারি সাপ্লিমেন্টের মত সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন নেওয়ার সিদ্ধান্তও হাল্কাভাবে নেওয়া উচিৎ নয়। কারণ, এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে যায়।
যদি ভিটামিগুলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেওয়া হয় তাহলে এটা প্রমাণিত যে আপনার নিম্ন বর্ণিত সমস্যাগুলো হতে পারে: চর্বি বা তেলে দ্রবণীয় ভিটামিন অধিক গ্রহণে যেসব ক্ষতিঃ ভিটামিন এ (রেটিওনিক এসিড)—বিতৃষ্ণাবোধ বা সমুদ্রপীড়া, বমিভাব, মাথাধরা, মাথঘোরা, দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসা, অবসন্নভাব, জন্মত্রুটি, লিভার (কলিজা) সমস্যা, হাড়ের ক্ষয়রোগে (অস্টিওপরোসিসে) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি।
ভিটামিন ডি (ক্যালসিফেরল)—সমুদ্রপীড়া, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বলতা, ওজন হ্রাস, দুর্বলতাজনিত বিভ্রান্তি, হৃদরোগ (হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন), কোমল কোষকলায় ক্যালসিয়াম ও ফসফেট জমাট বাঁধা। রক্ত তরলকারক হিসেবে ভিটামিন ই ও কে গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন।
হরলিক্সের গুনাগুন প্রমান করতে পারেনি জিএসকে
বাংলাদেশে যে কয়টা "বোতলবন্দি" শক্তি ও পুষ্টিপণ্য পাওয়া যায় সেগুলো হরলিকস,বুষ্ট,মালটোভা,ভিভা আর কমপ্ল্যান। আপনার মনে হতে পারে এরা একটা আরেকটার বিকল্প/প্রতিদ্বন্ধি পণ্য। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো কমপ্ল্যান ছাড়া বাকি ৪টি একই কোম্পানির(গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন) প্রস্তুতকৃত পণ্য!!!!
বুঝতেই পারছেন "এই প্রতারণার ডোজ " নিয়ে একচেটিয়া মার্কেট(আসলে ধান্দাবাজি) দখল করে রেখেছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন। শুধু হরলিকসই বাজারের ৭৪% দখল করে রেখেছে!!! আর তাইতো মাঝে মধ্যেই ইচ্ছাকৃতভাবে সাপ্লাই বন্ধ করে দিয়ে কৃত্রিমভাবে চাহিদা বাড়িয়ে নেয় গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন। এক-দুই সপ্তাহ পর আবার সাপ্লাই দেয়া শুরু করলেও তা করা হয় দাম ২০/২৫ টাকা বাড়িয়ে।
সাম্প্রতিক হরলিক্সের গুনাগুন প্রকাশ করার দাবীতে ভারতে এক ব্যাক্তি হরলিক্সের বিরূদ্ধে মামলা করে। কিন্তু সেই মামলায় জিএসকে হরলিক্সের কোন গুনাগুন প্রমান করতে ব্যার্থ হয়।
তাহলে কিভাবে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইনের একচেটিয়া ধান্ধাবাজি বন্ধ করা যায়?
এতক্ষণে তো বুঝেই গেছেন হরলিকসের পিছনে এত টাকা খরচ করে শুধু প্রতারণারই শিকার হচ্ছেন। এবার না হয় একটু সচেতন উঠুন। সবাই মিলে হরলিকস কেনা বন্ধ করলে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে তো না-ই, দেখবেন ক্ষতি কমানোর জন্য তরতর করে দাম কমাচ্ছে।
অল্প কিছু ডাক্তারের উদ্দেশ্য হরলিকসের বিজ্ঞাপনে মাঝে মাঝে ডাক্তারের উপস্থিত দেখা যায়। কখনো বা ব্যাপারটা এমন ডাক্তার নিযে হরলিকস খাচ্ছেন আর হরদম পরামর্শ দিচ্ছেন অন্যদের হরলিকস খেতে!!!!
ঐ ডাক্তারদের উদ্দেশ্য বলতে চাই,আপনারা কি ডাক্তার হয়ে টের পান না হরলিকসের এ প্রতারণা? নাকি টাকার বিনিময়ে এ ধরনের প্রতারণাময় বিজ্ঞাপনে উপস্থিত হতে আপনাদের বিবেকে বাঁধে না?
এদেশে সবচেয়ে সম্মাজনক পেশাগুলোর মাঝে "চিকিৎসক" একটি। এদেশের অন্যান্য পেশার তুলনায় এ পেশাতে আয় তো কম নয়।তবু কি সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপনে প্রতারণামূলক কথা বলতে হবে? হরলিকস যে আপনাদের ব্যবহার করে এদেশের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে সেটা আপনারা কি টের পান না? ডাক্তারদের হরলিক্সের বিজ্ঞাপনদাতা হিসেবে ব্যাবহার করছে জিএসকে কোম্পানি।
পুষ্টিশিক্ষা এবং আমাদের দেশের পাঠ্যপুস্তক
"ভাত,আলু শর্করা জাতীয় খাদ্য; মাছ,মাংস,ডিম আমিষ জাতীয় খাদ্য..." এগুলো আমাদের দেশের স্কুলের পাঠ্যবইগুলোতে লেখা আছে। কিন্তু একটি বইয়েও লেখা নেই আমাদের ঠিক কতটুকু শক্তি দরকার,ঠিক কতটুকু প্রোটিন দরকার,কিংবা কোন খাবারে কি পরিমাণ পুষ্টিগুণ আছে।
আমাদের দেশের বইগুলোতে পুষ্টিশিক্ষা নিয়ে কি কয়েকটা পাতা যোগ করা যায় না যাতে করে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এদেশের মা-বাবাদের অজ্ঞানতার ফাঁদে ফেলে প্রতারিত করতে না পারে?
দৈনিক পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেলে আজকাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছে একটি বিজ্ঞাপন। এর প্রকাশভঙ্গীটি চমকপ্রদ ২ গ্লাস হরলিক্স = ৬৬৬ গ্রাম ইলিশ মাছের সমান আয়রন বেড়ে ওঠার ডোজ, রোজ রোজ হরলিক্স তো রেগুলার খাবার। কেন আপনি দিচ্ছেন না? কিংবা ননদ তার ভাবীর পেছন পেছন ছুটছে আর বলছে- “ভাবী, ও এমন কী খাচ্ছে…”(কারণ ভাতিজা বেশ হৃষ্টপুষ্ট এবং চটপটে আর ওই নারীর নিজের সন্তানটিকে দেখা যায় রোগা-পাতলা গোছের)।
প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত বিজ্ঞাপনগুলো দেখে মনে হতে পারে ভিটামিন এবং মিনারেল খুবই দুর্লভ বস্তু এবং আপনাকে ফুড সাপ্লিমেন্ট (সম্পূরক খাবার) হিসেবে ভিটামিন এবং মিনারেল বিশাল পরিমাণে গ্রহণ করতে হবে। এ সূত্রে ভিটামিন এবং মিনারেল সম্পর্কে কিছুটা জানা যাক।
★ভিটামিনঃ ভিটামিন হচ্ছে জৈবিক পদার্থ যা মানুষের জন্য খুব কম পরিমাণে প্রয়োজন হয়, শরীরের নির্দিষ্ট কিছু কোষের কাজ সম্পাদনের জন্য। মানুষের দেহ ভিটামিন তৈরি করতে পারে না। সুস্বাস্থের জন্য ভিটামিনগুলোকে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের সাথে নিতে হয়।
★মিনারেলঃ মিনারেল হচ্ছে অজৈব উপাদান যা মানুষের দেহ গঠনমূলক পদার্থ। এটি এনজাইম এর বিশ্লেষণে সহকারী হিসেবে কাজ করে। স্নায়ুর সঞ্চালনে সাহায্য করে। অম্ল এবং ক্ষারের মধ্যে সাম্য রক্ষা করে। মানুষের দেহ মিনারেল তৈরি করতে পারে না। প্রত্যেকটি মিনারেল প্রতিদিন খাবারের সাথে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে নিতে হয়। এবং তা বেশি পরিমাণে নিলে হিতে বিপরীতই হবে।
এ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ (ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) এর নির্দেশনাটি দেখা যেতে পারে
“There are many good reasons to consider taking vitamin supplements, such as over-the-counter multivitamins.
আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান্স (এএএফপি) এর মতে, একজন চিকিৎসক নিম্নোক্ত কারণে ভিটামিন প্রেসক্রাইব করতে পারেন। এগুলো হচ্ছে—
● নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যায়
● নিরামিষ ভোজীদের ক্ষেত্রে
● মায়েদের ক্ষেত্রে অন্তঃসত্ত্বা বা সন্তানকে দুগ্ধদানকালে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট তখনি উপযোগী হয় যদি তা নির্দিষ্ট কোনো পুষ্টি ঘাটতিকে পূরণ করে যা ওই ব্যক্তির নিয়মিত খাদ্য কোনোভাবেই পূরণ করতে পারছে না।
ভিটামিনগুলো সাপ্লিমেন্ট আকারে উপরে উল্লেখিত কন্ডিশনে উপকারি হতে পারে কিন্তু এর উপকারিতা প্রমাণিত নয়। আর স্বাভাবিক অবস্থায় তো নেয়ার প্রশ্নই আসে না।
★ভয়ংকর তথ্যঃ এফডিএ’র ডিভিশন অব ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট এর পরিচালক ব্যাসিলিওস ফ্রাঙ্কোস পিএইচডি বলেন, অন্যসব ডায়েটারি সাপ্লিমেন্টের মত সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন নেওয়ার সিদ্ধান্তও হাল্কাভাবে নেওয়া উচিৎ নয়। কারণ, এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে যায়।
যদি ভিটামিগুলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেওয়া হয় তাহলে এটা প্রমাণিত যে আপনার নিম্ন বর্ণিত সমস্যাগুলো হতে পারে: চর্বি বা তেলে দ্রবণীয় ভিটামিন অধিক গ্রহণে যেসব ক্ষতিঃ ভিটামিন এ (রেটিওনিক এসিড)—বিতৃষ্ণাবোধ বা সমুদ্রপীড়া, বমিভাব, মাথাধরা, মাথঘোরা, দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসা, অবসন্নভাব, জন্মত্রুটি, লিভার (কলিজা) সমস্যা, হাড়ের ক্ষয়রোগে (অস্টিওপরোসিসে) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি।
ভিটামিন ডি (ক্যালসিফেরল)—সমুদ্রপীড়া, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বলতা, ওজন হ্রাস, দুর্বলতাজনিত বিভ্রান্তি, হৃদরোগ (হৃদপিণ্ডের ছন্দপতন), কোমল কোষকলায় ক্যালসিয়াম ও ফসফেট জমাট বাঁধা। রক্ত তরলকারক হিসেবে ভিটামিন ই ও কে গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেবেন।
চূরখাই অনলাইন বাজার এবং হোম ডেলিভারি সার্ভিস
প্রতিটি পণ্যের মূল্য দেখে পণ্যের মূল্য মিল রেখে টাকা নেওয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য আমরা ডেলিভারি করি না।
ডেলিভারি চার্জ ৫০ টাকা।
এখনি অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
আজই অর্ডার করতে কল করুন +88 01835-462244


Comments
Post a Comment